in

চেক লেনদেনের নতুন নিয়ম

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ থেকে প্রকাশ হয়েছে। এ রায়ের ফলে এখন থেকে বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে কী চুক্তিমূলে বা বিবেচনায় চেকদাতা চেক ইস্যু করেছিলেন এবং সেই চুক্তিটি ব্যর্থ হয়নি যার কারণেই বিবাদীর কাছে বাদীর পাওনা বলবৎ রয়েছে।

জানা গেছে, আগে চেক ডিজঅনার হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চেকদাতার সাজা হতো। চেকমূলে চেকগ্রহীতার টাকা পাওয়ার কোনো কারণ আছে কি না, সেটি দেখার বাধ্যবাধকতা বা দিক নির্দেশনা ছিল না। এখন থেকে চেকগ্রহীতাকে প্রমাণ করতে হবে যে, চেকদাতা ও চেকগ্রহীতার মধ্যে লেনদেন সম্পর্কিত কোনো বৈধ চুক্তি ছিল কি না। সে চুক্তির শর্ত তিনি পূরণ করেছেন কিনা। তাহলেই কেবল চেক ডিজঅনার মা’মলায় সাজা হবে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত এক আপিল নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ রায় দেন। যার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। আপিল বিভাগের এ রায়ের ফলে চেকদাতারা তাদের নির্দোষ প্রমাণের একটা সুযোগ পেল। এছাড়া এ রায়ের ফলে চেক সংক্রান্ত মামলায় বিচার প্রার্থীদের ভো’গান্তি ও হ’য়রানি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebook Comments

What do you think?

Comments

Leave a Reply

Loading…

0

বাবা মিস্ত্রী, মা হোটেলে রুটি তৈরি করেন; ছেলে ভারতের কনিষ্ঠ আইপিএস কর্মকর্তা!!

পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়ে অভিনব কায়দায় প্র’তারণা ২০ কোটি।

পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়ে অভিনব কায়দায় প্র’তারণা ২০ কোটি।